“প্রকৃতি তুমি কেন এতো উত্তাল?
অনাহার তীব্র দাবদাহে
রাস্তাঘাট শুনশান,
ধুঁকছে শুধু প্রাণবায়ু”!
– তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ জন হাঁসফাঁস করছে। (Summer) প্রকৃতি কিন্তু তার সবুজায়নে প্রাণ ঠান্ডা করায়। (Summer)বাতাসের শীতল স্পর্শ প্রাণবায়ুকে ক্লান্তি দূর করিয়ে দেয়। (Summer) কিন্তু প্রকৃতি তো সেই রূপে নেই। তার ধ্বংসাবশেষ আজ “গরমের মধ্যে দাবানল জ্বেলে দিয়েছে”। মানুষ জন অসহ্য যন্ত্রণা অনুভব করছে।
এপ্রিল মাসের শেষের দিকে গরমের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে আবহাওয়া দপ্তরের এমই পূর্বাভাস। (Summer)রাজ্যে এখন গরম প্রায় ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আবার কিছু কিছু রাজ্যে প্রায় ৪২ ডিগ্রী তাপমাত্রা ছুঁইছুই। এইভাবে গরমের তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে মানুষ গরমে সেদ্ধ হয়ে যাবে। (Summer) তাই অফিস, আদালত, বিভিন্ন চাকরি ক্ষেত্রে এবং অন্যান কাজের ক্ষেত্র গুলোতে যারা কাজে বের হচ্ছেন। হাতে সময় নিয়ে দুপুরের আগে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ুন। এতে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করবেন আর হাতের কাছে ঠান্ডা পানীয় জলের বোতল রাখুন। এই গরমে যতোটা পারেন পানীয় জল বেশি বেশি পান করুন।
গরম বাড়ার কারণ- প্রকৃতির তাপপ্রবাহ দিনে দিনে বেড়ে চলেছে। তার প্রধান কারণ হলো “সবুজায়নের অভাব”। আপনার বাড়ির চারপাশে যদি গাছে ভর্তি থাকে তাহলে সেখানে দেখুন “একটা মিষ্টি ঠান্ডা ভাব আছে”। যতোবেশি গাছ থাকবে ততোই প্রকৃতির তাপমাত্র বজাই থাকবে। কিন্তু আমরা তো এখন উল্টোপথে চলছি। সবুজায়ন ধ্বংস করে, গড়ে তুলছি কারখানা, বড়ো বড়ো অট্টালিকা, প্রসাদ। এর ফলে কলকারখানার ধোঁয়া, যতোবেশি হচ্ছে তাপমাত্রা ততোবেশি হচ্ছে। আর সবুজায়ন ধ্বংস করে বড়ো বড়ো অট্টালিকা প্রসাদ গড়ে উঠছে। এর ফলে খরার যে পার্দুরভাব রক্ষা করার জন্য গাছের প্রয়োজন। গাছ ধ্বংসের ফলে খরা তীব্র বাড়ছে। তাই মনে পড়ে যায় একটা কথা,….
“গাছের ও প্রাণ আছে
যদি তাকে ভালোবাসতে পারো,
সে তোমাকে বাঁচার অবলম্বন দেবে।
যে অবলম্বনে আছে শান্তি,
ধ্বংস হলে আছে প্রাণের অশান্তি!”
গরম থেকে বাঁচার উপায়- গরম থেকে বাঁচার একমাত্র ভবিষ্যৎ সবুজায়ন। এই গরমে মানুষ জন হাঁপাচ্ছে। বিশেষ করে যাদের হার্টের অসুক, বয়স্ক ব্যক্তি, অসুস্থ রোগী। এরা এই তীব্র গরমে নানান সমস্যার সম্মুখীন হয়। তাই এই গরমে যতো বেশি পারেন পানীয় জল পান করুন,…..
“শরীরে থাকবে যত জল
শরীর হবে সুস্থ সবল”।
– যে সমস্ত মানুষ জন কাজের সঙ্গে যুক্ত। আপনারা কাজে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ুন। সঙ্গে পানীয় জলের বোতল রাখুন। আর ঠান্ডা কোলড্রিংস এগুলো যতোটা পারেন এড়িয়ে চলুন। আপনারা গ্লুকোজ জল ব্যবহার করতে পারেন। না হলে ডাব, আখের রস,লেবুর সরবত এগুলো শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে। আর অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন।
গরমের তাপমাত্র যতো বাড়ছে। রাস্তাঘাট দুপুরের দিকে প্রায় শুনশান হয়ে পড়ছে। আবহওয়া দপ্তর থেকে এখনো পর্যন্ত বৃষ্টির তেমন পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে না। সবুজ গাছপালা গুলো ধুঁকছে, একফোঁটা জল চায় প্রাণের আগুন নেভাতে,…..
“বর্ষা তুমি কোথায় গেছো,
বাঁচাও তোমার ফোঁটা ফোঁটা জলের বিন্দু দিয়ে।”
– আজ মানুষের ও আবেদন এটাই বর্ষার কাছে। জানা যাচ্ছে এই গরমের তাপমাত্রা আরো তীব্র হতে পারে। তাই সকলকে এখন থেকে সাবধান অবলম্বন করে চলতে হবে। বিশেষ করে ঘরের বয়স্ক ব্যক্তিদের এই গরম যতোটা এগিয়ে চলা য়ায় তার চেষ্টা করুন। দুপুরে না বের হয়ে বাড়িতে বা ঠান্ডা কোন প্রকৃতি স্থানে বসুন। এতে কিছুটা গরম থেকে স্বস্তি পাবেন,…..
“তাপপ্রবাহ কেন তুমি
দাবানল সেজেছো আজ।
প্রাণ বায়ু কাঁদছে,
যদি ঠান্ডা পানীয় না থাকে”।
Summer: অসহ্য তীব্র গরমে মানুষ ঠান্ডা পানীয় চাইছে
রিপোর্ট : তাপস কুমার বর, এই যুগ, নিউজ ডেস্ক
Ei Yug : Read Latest Bengali News, Bangla News, Bengali news, News in Bangla, Breaking News in Bangla , Newspaper ,Bengali Newspaper