৫ অক্টোবরের (alipurduar) প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের এক মাস পরও আলিপুরদুয়ারের বেশ কয়েকটি এলাকা এখনো জলমগ্ন। সম্প্রতি সাইক্লোনের প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিতে ধানক্ষেত গুলিতে হাঁটু সমান জল জমে আছে। সেই স্থির জল এখন ম্যালেরিয়া-বাহক অ্যানোফিলিস মশা ও ডেঙ্গু-বাহক এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।ফলে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে মশাবাহিত রোগ। স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৮ নভেম্বর পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার জেলায় ৩৭০ জনের ম্যালেরিয়া ও ২৫০ জনের ডেঙ্গুর হদিশ পাওয়া গেছে।উদ্বেগের বিষয়, মাদারিহাট ব্লকের দুটি গ্রাম — টোটোপাড়া ও বল্লালগুড়ি — ম্যালেরিয়ার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মোট ম্যালেরিয়া আক্রান্তদের মধ্যে টোটোপাড়ায় ৬৫টি ও বল্লালগুড়িতে ৫০টি কেস পাওয়া গেছে।ভুটান সীমান্তবর্তী টোটোপাড়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য দপ্তর বিশেষ নজর দিচ্ছে, কারণ সূত্রের খবর, সংক্রমণের উৎস হতে পারে ভুটানের পার্শ্ববর্তী একটি গ্রাম।রোগের বিস্তার রুখতে স্বাস্থ্য দপ্তর সচেতনতা অভিযান জোরদার করেছে এবং আক্রান্ত এলাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে ঔষধযুক্ত মশারি বিলি করা হয়েছে।জেলার উপ-প্রধান স্বাস্থ্য আধিকারিক (DCMOH) ডাঃ সুপ্রিয় চৌধুরী বলেন, “অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে, ফলে অনেক ধানক্ষেত এখনো জলমগ্ন। সেই জলেই ম্যালেরিয়া-বাহক অ্যানোফিলিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে। এই কারণেই জেলাজুড়ে ম্যালেরিয়া ছড়াচ্ছে। সচেতনতা অভিযান চালানো হয়েছে এবং আক্রান্ত গ্রামগুলোতে ঔষধযুক্ত মশারি বিতরণ করা হচ্ছে।”জমে থাকা স্থিরজলের কারণে মশার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার ফলে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে।তবে স্বাস্থ্য দপ্তর বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংক্রমণ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু যথাসময়ে চিকিৎসা নিলে সম্পূর্ণ আরোগ্য সম্ভব এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গোটা জেলাজুড়ে জোরদার করা হয়েছে।
alipurduar: আলিপুরদুয়ারে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে
রিপোর্ট : মলয় দেবনাথ , এই যুগ, আলিপুরদুয়ার
Ei Yug : Read Latest Bengali News, Bangla News, Bengali news, News in Bangla, Breaking News in Bangla , Newspaper ,Bengali Newspaper