কর্তব্যরত সিভিক (CoochBehar) ভলেন্টিয়ার মোটরসাইকেল দাঁড় করানোয় , বক্সিরহাট ট্রাফিক গার্ডের ট্রাফিক ওসির উপর তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতার দাদাগিরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো তুফানগঞ্জ ২ নং ব্লকের অন্তর্গত বারোকোদালি এক গ্রাম পঞ্চায়েতের হরিপুর ১৭ নং জাতীয় সড়কে। (CoochBehar) তৃণমূল কংগ্রেসের ওই নেতা পার্শ্ব দলীয় কর্মীকে নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ওসিকে ঘেরাওয়ের হুমকি দেয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পাল্টা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ওই নেতা তিনি অভিযোগ করেন ট্রাফিক পুলিশের ওসি সিভিক ভলেন্টিয়ার দের দিয়ে তোলাবাজি করছে, তারই প্রতিবাদ করেছি মাত্র।
ঘটনা সূত্রপাত তুফানগঞ্জ মহকুমার বক্সিরহাট (CoochBehar) থানার হরিপুর ১৭ নং জাতীয় সড়কে ট্রাফিক পুলিশের বক্সিরহাট ট্রাফিক গার্ডের ওসি দীপক বর্মন সহ সিভিক ভলেন্টিয়ারেরা বাইক থামাতে বলেন এবং চালককে তার নথি বের করে দেখাতে বলেন সিভিক ভলেন্টিয়াররা। সেই সময় ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন তুফানগঞ্জ একের ক ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাজেশতন্ত্রী, ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মেজাজ হারিয়ে ট্রাফিক ওসির সাথে বচশায় জড়িয়ে গেছেন ওই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা, তাকে বলতে শোনা যায় তুফানগঞ্জ ১ নং ব্লক হলে ৫০০ দলীয় কর্মীকে নিয়ে ট্রাফিক ওসিকে ঘেরাও করতেন তিনি, যদিও ভাইরাল হয় এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি গণমাধ্যম। ট্রাফিক ওসি দীপক বর্মন জানান ট্রাফিক আইন মেনে যানবাহনের কাগজপত্র ঠিক রয়েছে কিনা তার জন্যই জাতীয় সড়কে বাইক দাঁড় করিয়েছিলেন তার সঙ্গে থাকা সিভিক ভলেন্টিয়ার।
তিনি জানান গোটা বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে (CoochBehar) জানাবেন। ঘটনাটি নিয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল তুফানগঞ্জ ১নং ব্লক ‘ক’ তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ তন্ত্রীর সঙ্গে তিনি জানান সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দিয়ে রাস্তায় তোলাবাজি করছিলেন ট্রাফিক ওসি তাই আমি প্রতিবাদ করেছি, গোটা বিষয়টি তিনি এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্টের মাধ্যমে তুলে ধরেন এবং জানান উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের কেও তিনি বিষয়টি নিয়ে সরব হবেন। গোটা বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলার চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মনের সাথে তিনি জানান গোটা বিষয়টি তিনি খোঁজ নেবেন, ঘটনায় যদি কেউ দোষী থাকে তার বিষয়ে দল করা পদক্ষেপ নেবে এর সঙ্গে তিনি আরো জানান আইন আইনের পথে চলবে।
গোটা বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল (CoochBehar) বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের সংযোজক বিমল পালের সাথে তিনি বলেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের এটাই শিষ্টাচার, পুলিশ মন্ত্রী তাদের দলের সুপ্রিমো, কর্তব্যরত পুলিশকর্মীকে হুমকি দিলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষেপ নিতে সাহস দেখাবে না পুলিশ।এই বিষয়ে সিপিআইএমের বক্সিরহাট লোকাল কমিটির সদস্য ইউসুফ আলী জানান যে দলের সুপ্রিমো নিজেই বলে আমি গুন্ডা কন্ট্রোল করি, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর দুষ্কৃতীকে নিজেই থানা থেকে বের করে নিয়ে আসে, তার দলের নেতা কর্মীদের কাজ থেকে এর থেকে বেশী কিছু আশা করা যায় না, ।আর সেই গুন্ডা রাই এখন এলাকায় এলাকায় মানুষের গণতন্ত্র হরণ করছে এলাকায় এলাকায় সামাজিকতা ধ্বংস করছে ..তবে মানুষের এই গণতন্ত্র এলাকার সামাজিকতা ফিরিয়ে আনার লড়াই বামপন্থী করে চলছে ,এই লড়াইয়ে জয় মানুষের হবেই।
Ei Yug : Read Latest Bengali News, Bangla News, Bengali news, News in Bangla, Breaking News in Bangla , Newspaper ,Bengali Newspaper