প্রথম ছবি তাও আবার নায়িকা হিসেবে। আর তাতেই এত বড় সাফল্য। আনন্দে ভাসছেন ‘অপর্ণা’ দিতিপ্রিয়া রায়। তাঁর কথায়, ‘একটু ব্যস্ত থাকায় ফোনটা দেখতে পারিনি। তার পর দেখি ১৮-১৯টা মিস কল। অসংখ্য মেসেজ। ভাবলাম আমাকে নিয়ে কোনও খারাপ খবর রটেছে। তার পর জানতে পারলাম অভিযাত্রিক দু’টো পুরস্কার পেয়েছে।’ অপুর প্রত্যাবর্তন আর সাদা-কালোর মায়ায় এক রাশ নস্টালজিয়া। পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সত্যজিৎ রায়ের অপুকে একই সূত্রে গেঁথে ছবি তৈরি করেন । ৬৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় সেরা বাংলা ছবির শিরোপা পেল সেই ‘অভিযাত্রিক’।দু’টি পুরস্কার এসেছে ‘অভিযাত্রিক’-এর ঝুলিতে। দ্বিতীয়টি সেরা সিনেমাটোগ্রাফির জন্য। সিনেমাটোগ্রাফার সুপ্ৰতিম ভোল বেজায় খুশি। তিনি বললেন ‘আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ হল। তিনি চেয়েছিলেন আমি অন্তত একটা জাতীয় পুরস্কার পাই। খুব কম দিনের মধ্যে এমন উচ্চ মানের একটি ছবি শ্যুট করা বেশ মুশকিল ছিল। আমরা সকলেই খুব পরিশ্রম করেছি। বলা যায়, আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল’, উচ্ছ্বাস ঝরে পড়ল সুপ্রতিমের গলায়।ঘোর কাটছে না দিতিপ্রিয়ারও। তার কাছে সবটাই যেন এক স্বপ্নের মতো। তিনি জানান, ‘কতটা খুশি, তা বলে বোঝাতে পারব না। ছবির সঙ্গে যুক্ত সকলকেই অভিনন্দন জানাতে চাই। ‘অভিযাত্রিক’-এ কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত।’
Ei Yug : Bengali Newspaper ,Read Latest Bengali News, Bangla News, Bengali news, News in Bangla, Breaking News in Bangla